রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার আরও এক আসামি মো: জামাল উদ্দিন (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকা হতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো: জামাল উদ্দিন, রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম গ্রামের মৃত আশ্রাফ আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী।
রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে বোয়ালিয়া মডেল থানাধীন ভদ্রা মোড় এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীরা ব্যানারসহ একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। এ সময় তারা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে এলাকায় ভীতিকর ত্রাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। স্থানীয় লোকজন ও বাদী মিছিলে বাধা প্রদান ও তাদের নিষেধ করলে তারা বাদীকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। পরে বাদী পুলিশকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাদীকে মারধরের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে। এতে বাদী ভীত হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অভিযুক্তরাও ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। উক্ত ঘটনার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার লক্ষ্যে ব্যানারসহ ঝটিকা মিছিল ও প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং এ-সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় এজাহারে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করে বোয়ালিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকা হতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মো: জামাল উদ্দিন, রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম গ্রামের মৃত আশ্রাফ আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী।
রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে বোয়ালিয়া মডেল থানাধীন ভদ্রা মোড় এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীরা ব্যানারসহ একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। এ সময় তারা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে এলাকায় ভীতিকর ত্রাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। স্থানীয় লোকজন ও বাদী মিছিলে বাধা প্রদান ও তাদের নিষেধ করলে তারা বাদীকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। পরে বাদী পুলিশকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাদীকে মারধরের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে। এতে বাদী ভীত হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অভিযুক্তরাও ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। উক্ত ঘটনার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম পুনরায় সক্রিয় করার লক্ষ্যে ব্যানারসহ ঝটিকা মিছিল ও প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং এ-সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় এজাহারে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করে বোয়ালিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আবু হেনা মোস্তফা জামান